Our Cox'sBazar
কক্সবাজারের সংবাদ
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১১
বাবুই পাখিরে ডাকি বলিছে চড়াই...
এর দ্বারা পোস্ট করা
Nupa Alam
এই সময়ে
Friday, December 09, 2011
0
মন্তব্য(সমূহ)
এই পোস্টে লিঙ্ক
| প্রতিক্রিয়া: |
আমাদের দেশে সু কি হবে কবে? font color=black size=2অজয় দাশগুপ্ত, অতিথি লেখক
এর দ্বারা পোস্ট করা
Nupa Alam
এই সময়ে
Friday, December 09, 2011
0
মন্তব্য(সমূহ)
এই পোস্টে লিঙ্ক
| প্রতিক্রিয়া: |
টেকনাফের আলোচিত শিশু আলো হত্যা মামলা নিয়ে চক্রান্তের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
টেকনাফের বহুল আলোচিত ‘শিশু আলো হত্যা’ মামলা নিয়ে নতুন চক্রান্ত শুরু করেছে বলে অভিযোগ করেন শিশুর পিতা এবং টেকনাফে উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ। শুক্রবার সকালে কক্সবাজার শহরের একটি আবাসিক হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, গত ৭ সেপ্টেম্বর তার সাত বছরের শিশু পুত্র আলি উল্লাহ আলোকে জবাই করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ ছয় জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা জবানবন্ধিতে ঘটনার নেপথ্যের গডফাদারদের নাম প্রকাশ করেছে। ওই গডফাদারদের সনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়াকে বাঁধাগ্রস্ত করতে তৎপরতা শুরু করেছে।
তিনি আরো বলেন, শিশুদের সার্বিক নিরাপত্তা, সুন্দর জীবনের জন্য তিনি তার শিশু হত্যার বিচারের জন্য তৎপর। সকল বাঁধা এবং প্রভাব মুক্ত হয়ে এ হত্যাকান্ডের সুষ্টু বিচার হবে এমনটাই তার প্রত্যাশা। কিন্তু মামলাকে বাঁধাগ্রস্ত করতে গত ৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম শহরে বসবাসকারি মহিবুল্লাহ বাদি হয়ে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদার অভিযোগে ১৪ জনের বিরুদ্ধে একটি হয়রানিমূলক মামলার দায়ের করেন। এ মামলায় আমাকে প্রধান আসামী করা হয়েছে।
অন্যান্য আসামীরা আমার নিকটআত্মীয়, প্রতিবেশী ও আলো হত্যা মামলার স্বাক্ষী। মামলায় টেকনাফ সমুদ্র সৈকতে মহিবুল্লাহর মালিকাধিন একটি জমিতে কাজ করতে বাঁধা প্রদান, ৬ ডিসেম্বর হামলা এবং পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবিতে বাদিকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ আনা হয়।’
তিনি অভিযোগ করে বলেন, তার শিশু পুত্র আলো হত্যার দিন আলোচিত সন্ত্রাসী মহিবুল্লাহ তার ব্যবহার করা একটি লাল গাড়ি নিয়ে একাধিকবার ওই এলাকায় তাকে ঘুরতে দেখা গেছে। ঘটনার দিন জনতার ধাওয়া খেয়ে মুহিবুল্লাহ লাল গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়। এর পর থেকে সে এলাকায় যাননি।
মামলায় গডফাদার হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার প্রক্রিয়াকে বাঁধাগ্রস্ত করতে স্থানীয় এমপি আবদুর রহমান বদির ইন্ধনে আলো হত্যার তিন মাসের মাথায় এসে এ মামলাটি করা হয়েছে। এর আগেও স্থানীয় এমপি তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, তার, তার পিতা ও বিএনপি নেতা কর্মীর বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মিথ্যা মামলা করেছে।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আবদুল্লাহ বলেন, ৬ ডিসেম্বর সকালে টেকনাফ সমুদ্র সৈকতে কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ৬ ডিসেম্বর সমুদ্র সৈকত এলাকায় তিনি যাননি। কোনো প্রকার ঘটনা সম্পর্কেও তিনি অবহিত নন। কিন্তু ৭ ডিসেম্বর বিনা তদন্তে পুলিশ একটি মামলা লিপিবদ্ধ করেছে।
তিনি একজন শীর্ষ করদাতা, ঠিকাদার, মার্কেট, আমদানী-রপ্তানীকারক, কমিশন এজেন্ট, পেট্রোল পাম্প, মাকের্ট, আবাসিক হোটেল, ব্রিক ফিল্ড এর মালিক। এ ব্যবসায়ী হিসেবে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা তার পক্ষে সম্ভব কিনা এমন প্রশ্ন তার।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপি’র সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী বলেন, টেকনাফ ও উখিয়া আইনের শাসন নেই। পুলিশ সুপারের পরিবর্তে ব্যক্তি বিশেষের কাছে জিম্মি রয়েছে পুলিশ। শুধু বিএনপি’র নেতাকর্মী নয়, এখানে আওয়ামী লীগের অসংখ্য নেতাও আইনের শাসন পাচ্ছে না। তিনি মামলাটি সুষ্টু তদন্ত করে প্রত্যাহারের দাবি জানান।’
সংবাদ সম্মেলনে টেকনাফ উপজেলা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মৌলভী আবদুল মান্নান, উখিয়া উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক সরওয়ার জাহান চৌধুরী, টেকনাফ উপজেলা যুবদল নেতা হাসান সিদ্দিকী, টেকনাফ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মোহাম্মদ আলী, জেলা ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ কাইয়ুম, টেকনাফ পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক আবদুস সালাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, গত ৭ সেপ্টেম্বর তার সাত বছরের শিশু পুত্র আলি উল্লাহ আলোকে জবাই করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ ছয় জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা জবানবন্ধিতে ঘটনার নেপথ্যের গডফাদারদের নাম প্রকাশ করেছে। ওই গডফাদারদের সনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়াকে বাঁধাগ্রস্ত করতে তৎপরতা শুরু করেছে।
তিনি আরো বলেন, শিশুদের সার্বিক নিরাপত্তা, সুন্দর জীবনের জন্য তিনি তার শিশু হত্যার বিচারের জন্য তৎপর। সকল বাঁধা এবং প্রভাব মুক্ত হয়ে এ হত্যাকান্ডের সুষ্টু বিচার হবে এমনটাই তার প্রত্যাশা। কিন্তু মামলাকে বাঁধাগ্রস্ত করতে গত ৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম শহরে বসবাসকারি মহিবুল্লাহ বাদি হয়ে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদার অভিযোগে ১৪ জনের বিরুদ্ধে একটি হয়রানিমূলক মামলার দায়ের করেন। এ মামলায় আমাকে প্রধান আসামী করা হয়েছে।
অন্যান্য আসামীরা আমার নিকটআত্মীয়, প্রতিবেশী ও আলো হত্যা মামলার স্বাক্ষী। মামলায় টেকনাফ সমুদ্র সৈকতে মহিবুল্লাহর মালিকাধিন একটি জমিতে কাজ করতে বাঁধা প্রদান, ৬ ডিসেম্বর হামলা এবং পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবিতে বাদিকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ আনা হয়।’
তিনি অভিযোগ করে বলেন, তার শিশু পুত্র আলো হত্যার দিন আলোচিত সন্ত্রাসী মহিবুল্লাহ তার ব্যবহার করা একটি লাল গাড়ি নিয়ে একাধিকবার ওই এলাকায় তাকে ঘুরতে দেখা গেছে। ঘটনার দিন জনতার ধাওয়া খেয়ে মুহিবুল্লাহ লাল গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়। এর পর থেকে সে এলাকায় যাননি।
মামলায় গডফাদার হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার প্রক্রিয়াকে বাঁধাগ্রস্ত করতে স্থানীয় এমপি আবদুর রহমান বদির ইন্ধনে আলো হত্যার তিন মাসের মাথায় এসে এ মামলাটি করা হয়েছে। এর আগেও স্থানীয় এমপি তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, তার, তার পিতা ও বিএনপি নেতা কর্মীর বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মিথ্যা মামলা করেছে।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আবদুল্লাহ বলেন, ৬ ডিসেম্বর সকালে টেকনাফ সমুদ্র সৈকতে কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ৬ ডিসেম্বর সমুদ্র সৈকত এলাকায় তিনি যাননি। কোনো প্রকার ঘটনা সম্পর্কেও তিনি অবহিত নন। কিন্তু ৭ ডিসেম্বর বিনা তদন্তে পুলিশ একটি মামলা লিপিবদ্ধ করেছে।
তিনি একজন শীর্ষ করদাতা, ঠিকাদার, মার্কেট, আমদানী-রপ্তানীকারক, কমিশন এজেন্ট, পেট্রোল পাম্প, মাকের্ট, আবাসিক হোটেল, ব্রিক ফিল্ড এর মালিক। এ ব্যবসায়ী হিসেবে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা তার পক্ষে সম্ভব কিনা এমন প্রশ্ন তার।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপি’র সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী বলেন, টেকনাফ ও উখিয়া আইনের শাসন নেই। পুলিশ সুপারের পরিবর্তে ব্যক্তি বিশেষের কাছে জিম্মি রয়েছে পুলিশ। শুধু বিএনপি’র নেতাকর্মী নয়, এখানে আওয়ামী লীগের অসংখ্য নেতাও আইনের শাসন পাচ্ছে না। তিনি মামলাটি সুষ্টু তদন্ত করে প্রত্যাহারের দাবি জানান।’
সংবাদ সম্মেলনে টেকনাফ উপজেলা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মৌলভী আবদুল মান্নান, উখিয়া উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক সরওয়ার জাহান চৌধুরী, টেকনাফ উপজেলা যুবদল নেতা হাসান সিদ্দিকী, টেকনাফ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মোহাম্মদ আলী, জেলা ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ কাইয়ুম, টেকনাফ পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক আবদুস সালাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এর দ্বারা পোস্ট করা
Nupa Alam
এই সময়ে
Friday, December 09, 2011
0
মন্তব্য(সমূহ)
এই পোস্টে লিঙ্ক
লেবেলসমূহ:
টেকনাফ
| প্রতিক্রিয়া: |
অবশেষে বিয়েতে কারিনার সম্মতি
এর দ্বারা পোস্ট করা
Nupa Alam
এই সময়ে
Friday, December 09, 2011
0
মন্তব্য(সমূহ)
এই পোস্টে লিঙ্ক
| প্রতিক্রিয়া: |
কলকাতার হাসপাতালে অগ্নিকান্ড, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৫
ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে দক্ষিণ কলকাতার ঢাকুরিয়ায় এএমআরআই (আমরি) হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে ৫৫ রোগীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টা থেকে ৩টার মধ্যে হাসপাতালটির বেজমেন্টে প্রথম আগুন লাগে। এর পর ছয়তলা হাসপাতালের সর্বত্র আগুন ছড়িয়ে পড়ে। উদ্ধার তৎপরতা চলছে। এ দিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী ৫৫ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে বলেন, সঠিক তদন্ত করে হাসপাতাল কর্তপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ সূত্র জানায়, এএমআরআই হাসপাতালে অগ্নিকান্ডে ৫৪ জন নিহত হয়েছেন।
ফায়ার ফ্রিগেড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে। তারা অভিযোগ করেছে- হাসপাতালে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা নেই। এমনকি জরুরি অবতরণের ব্যবস্থাও রাখা হয়নি।
জানা যায়, এই হাসপাতালে অনেক রোগীই মূমুর্ষ ছিলেন। অনেক অচেতন অবস্থায় ছিলেন। তার ফলে ঘুমের মধ্যে বা অচেতন অবস্থায় তারা মারা যান। হাসপাতালের আইসিসিইউ ও আআইটিটিইউর সব রোগী মারা গেছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
হাসপাতাল ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টা থেকে ৩টার মধ্যে হাসপাতালটির বেজমেন্টে প্রথম আগুন লাগে। এরপর বেজমেন্ট থেকে আগুনের ধোঁয়া ছয়তলা হাসপাতালটির প্রতিটি তলায় ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় সেখানে ১৭০টি বেডেই রোগী ভর্তি ছিল। আইসিসিইউ ও আইটিটিইউতেও রোগী ছিল। এ পর্যন্ত ৮৫ রোগীকে সরিয়ে মুকুন্দপুর ও সল্টলেকের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ভোর ৪টার দিকে ঘটনাস্থলে দমকলের ২৫টি ইঞ্জিন আসে, আনা হয় তিনটি ল্যাডার। স্থানীয় লোকজন, দমকলকর্মী ও পুলিশ উদ্ধার কাজ শুরু করে। দমকলকর্মীরা ল্যাডারের সাহায্যে ওপরে উঠে ভবনের বাইরের কাচ ভেঙে রোগীদের কপিকলের সাহায্যে নিচে নামিয়ে আনছেন।
দমকলমন্ত্রী জাভেদ খান ও পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন। ফিরহাদ হাকিম বলেন, হাসপাতালের বেজমেন্টে প্রচুর দাহ্য পদার্থ ছিল। ছিল বিভিন্ন গ্যাস সিলিন্ডার ও পেট্রোলিয়ামজাত পদার্থ। যা থাকার কথা নয়। বেআইনীভাবে গাড়ি রাখার গ্যারেজে এগুলি রাখা হয়েছিল। শট সার্কিটের কারণে আগুন লেগেছে। তিনি আরো বলেন, এখন পর্যন্ত ৪১ জন মারা গেছেন। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে। তবে কেউ আগুনে পুড়ে মারা যায়নি। সবাই ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। এ অগ্নিকান্ডে ফিরহাদ হাকিমের চাচাও মারা গেছেন বলে জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
এনডিটিভি জানিয়েছে, ফায়ার ব্রিগেডের ২৫টি ইউনিট আগুন নেভানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে হাসপাতালে ঢোকার পথ সংকীর্ণ হওয়ায় অসুবিধার মুখে পড়তে হচ্ছে তাদের। স্থানীয় সময় সকাল ১২টা পর্যন্ত ৮৫ জনকে সরিয়ে নিয়েছেন অগ্নি নির্বাপণ কর্মীরা।
কলকাতার একটি টেলিভিশন চ্যানেলের খবরে দেখা যায়, কয়েকজন রোগী হাসপাতাল ভবনের জানালা দিয়ে সাদা পতাকা উড়িয়ে সাহায্য চাইছেন। আরেকটি জানালা বেয়ে এক রোগীকে নেমে আসার চেষ্টা করতে দেখা যায়, যার হাতের সঙ্গে তখনো স্যালাইনের বোতল বাঁধা ছিল।
এদিকে সকাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রোগীদের পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়-স্বজন হাসপাতালে ভীড় করেন। তাদের সাথে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বচসা শুরু হয়। রোগীদের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, হাসপাতালের গাফিলতির জন্য এতবড় ঘটনা ঘটেছে। তারা হাসপাতালের কাছে তালিকা দাবি করেন। কর্তৃপক্ষ তালিকা না দিতে পারায় ক্ষুব্ধ মানুষজন হাসপাতালের একাংশে ভাঙচুর করেন।
প্রসঙ্গত, এর আগে ২০০৮ সালেও একবার বড় ধরনের অগ্নিকান্ড ঘটেছিল দক্ষিণ কলকাতার ঢাকুরিয়ার এই হাসপাতালে। ওই অগ্নিকান্ডের কারণ এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।
সূত্র : পিটিবি নিউজ ডটকম
পুলিশ সূত্র জানায়, এএমআরআই হাসপাতালে অগ্নিকান্ডে ৫৪ জন নিহত হয়েছেন।
ফায়ার ফ্রিগেড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে। তারা অভিযোগ করেছে- হাসপাতালে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা নেই। এমনকি জরুরি অবতরণের ব্যবস্থাও রাখা হয়নি।
জানা যায়, এই হাসপাতালে অনেক রোগীই মূমুর্ষ ছিলেন। অনেক অচেতন অবস্থায় ছিলেন। তার ফলে ঘুমের মধ্যে বা অচেতন অবস্থায় তারা মারা যান। হাসপাতালের আইসিসিইউ ও আআইটিটিইউর সব রোগী মারা গেছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
হাসপাতাল ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টা থেকে ৩টার মধ্যে হাসপাতালটির বেজমেন্টে প্রথম আগুন লাগে। এরপর বেজমেন্ট থেকে আগুনের ধোঁয়া ছয়তলা হাসপাতালটির প্রতিটি তলায় ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় সেখানে ১৭০টি বেডেই রোগী ভর্তি ছিল। আইসিসিইউ ও আইটিটিইউতেও রোগী ছিল। এ পর্যন্ত ৮৫ রোগীকে সরিয়ে মুকুন্দপুর ও সল্টলেকের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ভোর ৪টার দিকে ঘটনাস্থলে দমকলের ২৫টি ইঞ্জিন আসে, আনা হয় তিনটি ল্যাডার। স্থানীয় লোকজন, দমকলকর্মী ও পুলিশ উদ্ধার কাজ শুরু করে। দমকলকর্মীরা ল্যাডারের সাহায্যে ওপরে উঠে ভবনের বাইরের কাচ ভেঙে রোগীদের কপিকলের সাহায্যে নিচে নামিয়ে আনছেন।
দমকলমন্ত্রী জাভেদ খান ও পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন। ফিরহাদ হাকিম বলেন, হাসপাতালের বেজমেন্টে প্রচুর দাহ্য পদার্থ ছিল। ছিল বিভিন্ন গ্যাস সিলিন্ডার ও পেট্রোলিয়ামজাত পদার্থ। যা থাকার কথা নয়। বেআইনীভাবে গাড়ি রাখার গ্যারেজে এগুলি রাখা হয়েছিল। শট সার্কিটের কারণে আগুন লেগেছে। তিনি আরো বলেন, এখন পর্যন্ত ৪১ জন মারা গেছেন। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে। তবে কেউ আগুনে পুড়ে মারা যায়নি। সবাই ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। এ অগ্নিকান্ডে ফিরহাদ হাকিমের চাচাও মারা গেছেন বলে জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
এনডিটিভি জানিয়েছে, ফায়ার ব্রিগেডের ২৫টি ইউনিট আগুন নেভানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে হাসপাতালে ঢোকার পথ সংকীর্ণ হওয়ায় অসুবিধার মুখে পড়তে হচ্ছে তাদের। স্থানীয় সময় সকাল ১২টা পর্যন্ত ৮৫ জনকে সরিয়ে নিয়েছেন অগ্নি নির্বাপণ কর্মীরা।
কলকাতার একটি টেলিভিশন চ্যানেলের খবরে দেখা যায়, কয়েকজন রোগী হাসপাতাল ভবনের জানালা দিয়ে সাদা পতাকা উড়িয়ে সাহায্য চাইছেন। আরেকটি জানালা বেয়ে এক রোগীকে নেমে আসার চেষ্টা করতে দেখা যায়, যার হাতের সঙ্গে তখনো স্যালাইনের বোতল বাঁধা ছিল।
এদিকে সকাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রোগীদের পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়-স্বজন হাসপাতালে ভীড় করেন। তাদের সাথে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বচসা শুরু হয়। রোগীদের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, হাসপাতালের গাফিলতির জন্য এতবড় ঘটনা ঘটেছে। তারা হাসপাতালের কাছে তালিকা দাবি করেন। কর্তৃপক্ষ তালিকা না দিতে পারায় ক্ষুব্ধ মানুষজন হাসপাতালের একাংশে ভাঙচুর করেন।
প্রসঙ্গত, এর আগে ২০০৮ সালেও একবার বড় ধরনের অগ্নিকান্ড ঘটেছিল দক্ষিণ কলকাতার ঢাকুরিয়ার এই হাসপাতালে। ওই অগ্নিকান্ডের কারণ এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।
সূত্র : পিটিবি নিউজ ডটকম
এর দ্বারা পোস্ট করা
Nupa Alam
এই সময়ে
Friday, December 09, 2011
0
মন্তব্য(সমূহ)
এই পোস্টে লিঙ্ক
লেবেলসমূহ:
আর্ন্তজাতিক
| প্রতিক্রিয়া: |
কক্সবাজারের শহীদ মিনার পুন:নিমার্ণ হচ্ছে
দীর্ঘ ১৯ বছর পর জরাজীর্ণ কক্সবাজারের কেন্দ্রিয় শহীদ মিনার ভেঙ্গে নতুন শহীদ মিনার নিমার্ণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি এ শহীদ মিনার উদ্বোধনের সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, ১৯৯২ সালের মাঝামাঝি সময় কক্সবাজার পৌরসভার অধিনে শহীদ সরণীতে নিমার্ণ করা হয় কক্সবাজার কেন্দ্রিয় মিনার। ইট-সিমেন্ট আর লোহা দিয়ে শহীদ মিনারের যে কাঠামো দাঁড় করানো হয়েছিল, তা গত ১৯ বছরে সংস্কার হয়নি করা হয়নি। ফেব্রুয়ারি মাস আসলে শুধুমাত্র চুনকাম করা হয়, এরপর আর খবর থাকে না।
জানা গেছে, শহীদ মিনারের নিচ থেকে মাটি সরে যাওয়ায় মূল বেদি হেলে পড়েছে। সীমানা প্রাচীরে ব্যবহার করা লোহার রড চুরি হয়ে গেছে। সন্ধ্যার পর বখাটে লোকজনের আনাগোনা শুরু হয়। এমনকি কক্সবাজার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের অভ্যন্তরে একটি ফুলের দোকান বসিয়ে প্রতিমাসে মাসিক মসোহারা আদায় করে থাকে কক্সবাজার পৌরসভার কথিপয় কর্মকর্তা ও কর্মচারী।
গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বিভিন্ন মহলের দাবির মুখে তৎকালীন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ওমর ফারুককে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়। ওই সময় কক্সবাজারের শিল্পী রহমান মুফিজ শহীদ মিনার একটি নকশাও জমা দেন। কিন্তু এর পর শহীদ মিনার নিমার্ণ হয়নি।
এ ব্যপারে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক জয়নুল বারী জানিয়েছেন, জরাজীর্ণ পরিস্থিতিতে ছিলো কক্সবাজারের কেন্দ্রিয় শহীদ মিনার। এটি নতুন করে নিমার্ণের দাবিটি দীর্ঘদিনের। যার প্রেক্ষিতে ৭ ডিসেম্বর জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে এক সভার আহবান করা হয়। সভায় জেলা পরিষদের অধিনে নতুন শহীদ মিনার নিমার্ণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ঢাকার কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারের আদলে এটি নিমার্ণ করা হবে এবং আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি ফুল দিয়ে এর উদ্বোধন করা সম্ভব বলে জানান তিনি।
এর দ্বারা পোস্ট করা
Nupa Alam
এই সময়ে
Friday, December 09, 2011
0
মন্তব্য(সমূহ)
এই পোস্টে লিঙ্ক
লেবেলসমূহ:
ঐতিহ্য
| প্রতিক্রিয়া: |
বৃহষ্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১১
টেকনাফের আলোচিত শিশু আলো হত্যা মামলা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা
টেকনাফের বহুল আলোচিত শিশু আলো হত্যা মামলার নেপথ্যের গডফাদার মামলাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার মিশন নিয়ে এবার মাঠে নেমেছে। এ মিশনের অংশ হিসেবে স্কুল ছাত্র আলি উল্লাহ আলোর পিতা এবং টেকনাফে উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল্লাহকে প্রধান আসামী করে ১৪ জনের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আর এ মামলার বাদি হয়েছেন আলো হত্যাকান্ডের ঘটনায় নানাভাবে আলোচিত গডফাদার মহিবুল্লাহ।
জানা যায়, গত ৭ ডিসেম্বর টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপের হাজি মৌলভী আবদুল জলিল এর পুত্র এবং চট্টগ্রাম শহরে বসবাসকারি মহিবুল্লাহ বাদি হয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদার অভিযোগে ১৪ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলার দায়ের করেন। টেকনাফ উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল্লাহকে প্রধান আসামী করে দায়ের করা মামলাটির নম্বর ১৯। এমামলায় আবদুল্লাহ’র নিকটআত্মীয় সহ ১৪ জন প্রতিবেশীকে আসামী করা হয়েছে। মামলায় টেকনাফ সমুদ্র সৈকতে মহিবুল্লাহর মালিকাধিন একটি জমিতে কাজ করতে বাঁধা প্রদান, ৬ ডিসেম্বর হামলা এবং ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবিতে বাদিকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ আনা হয়।
মামলার খবরটি জানাজানি হওয়ার পর টেকনাফে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয় লোকজন জানান, ৬ ডিসেম্বর সকালে টেকনাফ সমুদ্র সৈকতে কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। গত ৭ সেপ্টেম্বর বিএনপি নেতা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ’র ৭ বছরের শিশু পুত্র আলি উল্লাহ আলোকে জবাই করে হত্যা করা হয়। ঘটনার দিন বহুল আলোচিত সন্ত্রাসী মহিবুল্লাহ তার ব্যবহার করা একটি লাল গাড়ি নিয়ে একাধিকবার ওই এলাকায় তাকে ঘুরতে দেখা গেছে। ঘটনার দিন জনতার ধাওয়া খেয়ে মুহিবুল্লাহ লাল গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়। এর পর থেকে তিনি এলাকায় যাননি। যদিও ২১ সেপ্টেম্বর টেকনাফ স্টেশনের একটি হোটেলে প্রভাবশালী কয়েকজন ব্যক্তির সাথে একটি বৈঠকে তিনি যোগদান করেছেন বলে শুনা গেছে।
টেকনাফ উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ জানান, ৬ ডিসেম্বর সমুদ্র সৈকত এলাকায় তিনি যাননি। কোনপ্রকার ঘটনা সম্পর্কেও তিনি অবহিত নন। কিন্তু ৭ ডিসেম্বর বিনা তদন্তে পুলিশ একটি মামলা লিপিবদ্ধ করেছে। তিনি মনে করেন, তার শিশু পুত্র আলো হত্যা মামলার ঠিক ৩ মাসের মাথায় এসে গডফাদার মামলাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছে। এ মিশনের অংশ হিসেবে এ মামলাটি দায়ের করা হয়েছে এবং ক্ষমতাসিন দলের একটি প্রভাবশালী মহল এতে ইন্ধন দিচ্ছে।
টেকনাফ সমুদ্র সৈকতবর্তী এলাকা মহেশখালীয়া পাড়া, গোদার বিল এলাকার লোকজন জানান, আলো হত্যাকান্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ইতিমধ্যে পুলিশ ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতার হওয়া কয়েকজনের জবানবন্ধিতে নানাভাবে ঘটনার নেপথ্যের গডফাদারদের নাম প্রকাশ হচ্ছে। পুলিশ ওই গডফাদারকে সনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়াকে বাঁধাগ্রস্ত করতে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে মনে করে তারা। মামলায় অভিযুক্ত সকল আসামী ওই ২ টি এলাকার এবং এতে আলো হত্যার মামলার স্বাক্ষীরাও রয়েছেন।
জানা যায়, গত ৭ ডিসেম্বর টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপের হাজি মৌলভী আবদুল জলিল এর পুত্র এবং চট্টগ্রাম শহরে বসবাসকারি মহিবুল্লাহ বাদি হয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদার অভিযোগে ১৪ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলার দায়ের করেন। টেকনাফ উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল্লাহকে প্রধান আসামী করে দায়ের করা মামলাটির নম্বর ১৯। এমামলায় আবদুল্লাহ’র নিকটআত্মীয় সহ ১৪ জন প্রতিবেশীকে আসামী করা হয়েছে। মামলায় টেকনাফ সমুদ্র সৈকতে মহিবুল্লাহর মালিকাধিন একটি জমিতে কাজ করতে বাঁধা প্রদান, ৬ ডিসেম্বর হামলা এবং ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবিতে বাদিকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ আনা হয়।
মামলার খবরটি জানাজানি হওয়ার পর টেকনাফে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয় লোকজন জানান, ৬ ডিসেম্বর সকালে টেকনাফ সমুদ্র সৈকতে কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। গত ৭ সেপ্টেম্বর বিএনপি নেতা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ’র ৭ বছরের শিশু পুত্র আলি উল্লাহ আলোকে জবাই করে হত্যা করা হয়। ঘটনার দিন বহুল আলোচিত সন্ত্রাসী মহিবুল্লাহ তার ব্যবহার করা একটি লাল গাড়ি নিয়ে একাধিকবার ওই এলাকায় তাকে ঘুরতে দেখা গেছে। ঘটনার দিন জনতার ধাওয়া খেয়ে মুহিবুল্লাহ লাল গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়। এর পর থেকে তিনি এলাকায় যাননি। যদিও ২১ সেপ্টেম্বর টেকনাফ স্টেশনের একটি হোটেলে প্রভাবশালী কয়েকজন ব্যক্তির সাথে একটি বৈঠকে তিনি যোগদান করেছেন বলে শুনা গেছে।
টেকনাফ উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ জানান, ৬ ডিসেম্বর সমুদ্র সৈকত এলাকায় তিনি যাননি। কোনপ্রকার ঘটনা সম্পর্কেও তিনি অবহিত নন। কিন্তু ৭ ডিসেম্বর বিনা তদন্তে পুলিশ একটি মামলা লিপিবদ্ধ করেছে। তিনি মনে করেন, তার শিশু পুত্র আলো হত্যা মামলার ঠিক ৩ মাসের মাথায় এসে গডফাদার মামলাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছে। এ মিশনের অংশ হিসেবে এ মামলাটি দায়ের করা হয়েছে এবং ক্ষমতাসিন দলের একটি প্রভাবশালী মহল এতে ইন্ধন দিচ্ছে।
টেকনাফ সমুদ্র সৈকতবর্তী এলাকা মহেশখালীয়া পাড়া, গোদার বিল এলাকার লোকজন জানান, আলো হত্যাকান্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ইতিমধ্যে পুলিশ ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতার হওয়া কয়েকজনের জবানবন্ধিতে নানাভাবে ঘটনার নেপথ্যের গডফাদারদের নাম প্রকাশ হচ্ছে। পুলিশ ওই গডফাদারকে সনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়াকে বাঁধাগ্রস্ত করতে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে মনে করে তারা। মামলায় অভিযুক্ত সকল আসামী ওই ২ টি এলাকার এবং এতে আলো হত্যার মামলার স্বাক্ষীরাও রয়েছেন।
এর দ্বারা পোস্ট করা
Nupa Alam
এই সময়ে
Thursday, December 08, 2011
0
মন্তব্য(সমূহ)
এই পোস্টে লিঙ্ক
লেবেলসমূহ:
টেকনাফ
| প্রতিক্রিয়া: |
বিজয়ী ৫ মহিলা সাংসদের নাম ঘোষণা
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনে পাঁচ জনকে বিনা প্রতিদ্বন্দি¡তায় বিজয়ী ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার রিটার্নিং অফিসার মিহির সারোয়ার মোর্শেদ আনুষ্ঠানিকভাবে এই পাঁচ সাংসদের নাম ষোষণা করেছেন।
আওয়ামী লীগ মনোনীত নবনির্বাচিত সংরক্ষিত মহিলা আসনে বিজয়ী পাঁচ জন হলেন- সাংবাদিক এ এন মাহফুজা খাতুন বেবী মওদুদ, আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা, মহিলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পিনু খান, মহিলা আওয়ামী লীগ চট্টগ্রাম শাখার নেত্রী হাসিনা মান্নান এবং সাবেক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এডভোকেট ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পী।
মিহির সারোয়ার মোর্শেদ সাংবাদিকদের বলেন, কমিশন সচিবালয় এখন গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে বিষয়টি সংসদ সচিবালয়কে জানানোর পর সংসদ সচিবালয় সংসদ সদস্য হিসেবে এই পাঁচ জনের শপথের আয়োজন করবে।
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা ৪৫ থেকে বাড়িয়ে ৫০ করা হয়েছে। গত জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যের সংখ্যানুপাতিক হারে এই পাঁচটি আসনই আওয়ামী লীগ পেয়েছে।
সূত্র ঃ পিটিবি নিউজ ডটকম
আওয়ামী লীগ মনোনীত নবনির্বাচিত সংরক্ষিত মহিলা আসনে বিজয়ী পাঁচ জন হলেন- সাংবাদিক এ এন মাহফুজা খাতুন বেবী মওদুদ, আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা, মহিলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পিনু খান, মহিলা আওয়ামী লীগ চট্টগ্রাম শাখার নেত্রী হাসিনা মান্নান এবং সাবেক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এডভোকেট ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পী।
মিহির সারোয়ার মোর্শেদ সাংবাদিকদের বলেন, কমিশন সচিবালয় এখন গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে বিষয়টি সংসদ সচিবালয়কে জানানোর পর সংসদ সচিবালয় সংসদ সদস্য হিসেবে এই পাঁচ জনের শপথের আয়োজন করবে।
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা ৪৫ থেকে বাড়িয়ে ৫০ করা হয়েছে। গত জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যের সংখ্যানুপাতিক হারে এই পাঁচটি আসনই আওয়ামী লীগ পেয়েছে।
সূত্র ঃ পিটিবি নিউজ ডটকম
এর দ্বারা পোস্ট করা
Nupa Alam
এই সময়ে
Thursday, December 08, 2011
0
মন্তব্য(সমূহ)
এই পোস্টে লিঙ্ক
লেবেলসমূহ:
জাতীয়
| প্রতিক্রিয়া: |
বাংলাদেশে মার্কিন অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে : যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান মজীনা
যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান মজীনা বলেছেন, বাংলাদেশে মার্কিন অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। সমৃদ্ধশালী ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে অংশীদারিত্ব জনগণের জন্য ইতিবাচক।
বৃহস্পতিবার সকালে কক্সবাজারের রামু উপজেলার পানের ছড়া নামকস্থানে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর অর্থ সাহায্যে নির্মিত ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, ইউএসআইডি’র মিশন পরিচালক রিচার্ড গ্রীন, যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনীর প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের লে. জেনারেল ফ্রান্সিস উইয়ার জিন্সকি, পুলিশ সুপার সেলিম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক জয়নুল বারী প্রমুখ।
ড্যান মজীনা বলেন, বিভিন্ন সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগে বাংলাদেশের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সাগরের পানির উচ্চত বৃদ্ধি পাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের জনগণও বাংলাদেশের মানুষের মতই ঘূর্ণিঝড়-বন্যাসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মোকাবেলা করছে। বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় বিভিন্ন উদ্যোগের বিষয়ে দু’দেশের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় বাংলাদেশকে সাহায্য করছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রশাসন এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে এ দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো শক্তিশালী করতে হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, ২০০৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত এক কোটি ডলার ব্যয় কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ৪০টি ঘূর্ণিঝড আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আরো একশ’ আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান মজীনা সকালে বিশেষ হেলিকাপ্টার যোগে কক্সবাজার পৌঁছেন। কক্সবাজার পৌঁছে তিনি পানেরছড়া এলাকার আশ্রয় কেন্দ্রে উদ্বোধন করেন। এরপর তিনি উখিয়া উপজেলার ইউসিএআইডি’র খাদ্য নিরাপত্তার কর্মসূচি সৌহাদ্য-২ এর অধীনে দরিদ্র লোকজনের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।
এর দ্বারা পোস্ট করা
Nupa Alam
এই সময়ে
Thursday, December 08, 2011
0
মন্তব্য(সমূহ)
এই পোস্টে লিঙ্ক
লেবেলসমূহ:
পরিদর্শন
| প্রতিক্রিয়া: |
কক্সবাজারের বধ্যভূমি সংরক্ষণের পরিকল্পনা

কক্সবাজারে দীর্ঘ ৪০ বছর পর মুক্তিযুদ্ধে স্মৃতি বিজাড়িত পাঁচটি বধ্যভূমি সংরক্ষণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে বধ্যভূমি সনাক্তসহ নানা প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে এসব বধ্যভূমি সংরক্ষণসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ওই পাঁচটি বধ্যভূমি হলো- কক্সবাজার সী-বীচ রেস্ট হাউজের সামনের বালুচর। যেখানে বর্তমানে ১৭ ইসিবি এর ক্যাম্প রয়েছে। টেকনাফের উপজেলা কমপ্লেক্সের পেছনে নাইটং পাহাড়ের পাদদেশে এবং মহেশখালী আদিনাথ মন্দির সংলগ্ন এলাকার পাহাড়ের তিনটি স্থান।
কক্সবাজার জেলার কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা জানান, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পূর্বকালীন সময়ে কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন স্থানে চলেছে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর নিমর্ম হত্যাযজ্ঞ। পাকিস্তানীদের দোসর হিসেবে পরিচিত এলাকার চিহ্নিত রাজাকার, আলবদরের সহায়তায় চলে এ হত্যাকান্ড। দেশের মুক্তিকামী মানুষকে চিহ্নিত স্থানে নিয়ে গিয়ে নির্যাতনের পর গুলি করে হত্যা করা হয়। একই সঙ্গে নারীদের ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। জেলার পাঁচটি স্থানে লাশ ফেলে রাখা হতো। স্বাধীনতার পর ওই স্থানে যাদের সমাধি করা হয়েছে গণকবরে।
স্বাধীনতার ৪০ বছরেও কক্সবাজারের বধ্যভূমি সমূহ সংরক্ষতি হয়নি। যার কারণে ১৯৭১ সালের পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর নিমর্ম হত্যাযজ্ঞের স্বাক্ষী বধ্যভূমি গুলো এ প্রজন্মের অনেকেই চিনেন না। ফলে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম ঐতিহাসিক নিদের্শক কালের পরিক্রমায় বিলীন হতে চলেছে। তাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস সকল রাজনৈতিক সংগঠণ, মানুষ ও ’৭১ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দাবী বধ্যভূমি চিহ্নিত করে সংরক্ষণের এবং সকল বধ্যভূমি সর্বসাধারণের শ্রদ্ধার জন্য উন্মুক্ত করার দাবী জানিয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে।
এসব দাবির প্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার এসব বধ্যভূমি সংরক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। উদ্যোগের অংশ হিসেবে গত অক্টোবরে কক্সবাজার, জুলাই মাসে মহেশখালী উপজেলা এবং আগস্ট মাসে টেকনাফের বধ্যভূমির স্থান সমূহ পরিদর্শন এবং সংশ্লিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে আলোচনা করে সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত মহল।
একাধিক সূত্রে জানা যায়, পৃথক তিনটি টিম পরিদর্শন শেষে প্রতিবেদন দাখিল করার পর সরকার এসব বধ্যভূমি সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। কক্সবাজার শহরের সমুদ্র সৈকতের বালিকা মাদ্রাসা পয়েন্টের সড়কের বধ্যভূমিটি নানাভাবে আলোচিত। যদিও ওখানে বধ্যভূমির কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়না। বর্তমানে এ বধ্যভূমিকে ঘিরে রয়েছে ১৭ ইসিবি সেনা ক্যাম্প ও বালিকা মাদ্রাসা।
মুক্তিযোদ্ধা গোলাম রব্বান জানান, কক্সবাজার জেলার বাইরে তিনি যুদ্ধ করেন। স্বাধীনতার পর কক্সবাজার ফেরেন তিনি। ওই সময় বর্তমান সেনা ক্যাম্প এলাকায় বিপুল সংখ্যক মানুষ লাশ ছিল। যা গণকবরে সমাধি করা হয়।
প্রফেসর মোশতাক আহমদ জানান, ওখানে একটি রেস্ট হাউজ ছিলো। এ রেস্ট হাউজকে কেন্দ্র করে ’৭১ সালে পাকিস্তানী বাহিনীর বর্বরতা চলেছে। হত্যা, ধর্ষণসহ নির্যাতনের সাক্ষী এ রেস্ট হাউজটি। পরবর্তিতে গণকবরে মুক্তিকামী মানুষের লাশের স্থান হয়ে ছিল। তিনি বলেন, এ বধ্যভূমিটি ছাড়াও টেকনাফের নাইট্যং পাড়া আরেকটি বধ্যভূমি রয়েছে। ওখানে পাহাড়ে হত্যা, ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। একই ভাবে লাশের সমাধি হয়েছে গণকবরে।
টেকনাফের প্রবীণ রাজনৈতিকবিদ আনোয়ার মিয়া জানান, টেকনাফের বধ্যভূমিটি ছিল উপজেলা পরিষদের পশ্চিমের পাহাড়ে। ওখানে বিপুল সংখ্যক মানুষকে হত্যা করা হয়। কক্সবাজারের উখিয়া, রামু, চকরিয়াসহ বিভিন্ন স্থানের মানুষকে এনে পাকিস্তানী হানাদার এ হত্যাযজ্ঞ পরিচালনা করে। বর্তমানে এ বধ্যভূমিটির কোনো চিহ্ন ওখানে নেই।
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কক্সবাজার জেলা সভাপতি দিলীপ দাশ জানান, জেলার মহেশখালী উপজেলায় তিনটি বধ্যভূমি রয়েছে। তিনি বলেন, অদিনাথ পাহাড়ের মইগ্গার ঘোনা, মহন্ত ঘোনা ও মোতঘোনায় পাক বাহিনী হত্যাকান্ড পরিচালিত হয়েছে। ওখানে নারী, পুরুষদের নিয়ে গিয়ে নির্মম হত্যাকান্ড পরিচালিত হয়। ইতিমধ্যে জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের জাদুঘরের একটি দল এ বধ্যভুমি পরিদর্শন করেছেন বলে তিনি জানান।
এর দ্বারা পোস্ট করা
Nupa Alam
এই সময়ে
Thursday, December 08, 2011
0
মন্তব্য(সমূহ)
এই পোস্টে লিঙ্ক
লেবেলসমূহ:
ঐতিহ্য
| প্রতিক্রিয়া: |
এতে সদস্যতা:
পোস্টস (Atom)